
পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার ব্লক-স্তরের শহর মিনাখাঁ। আসনটি তফশিলি জাতিদের জন্য সংরক্ষিত। মিনাখাঁ ব্লক, হাড়োয়া ব্লকের কুলটি, শালিপুর নিয়ে গঠিত এই বিধানসভা কেন্দ্র। বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রের সাতটি বিধানসভার মধ্যে মিনাখাঁও একটি। ২০১১ সালে এই বিধানসভা কেন্দ্রটি গঠিত হয়। তারপর থেকে হওয়া তিনবারের ভোটেই জিতেছেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী ঊষারানি মণ্ডল। প্রতিটি ভোটেই তিনি ভোটের ব্যবধান বাড়িয়েছেন। ২০১১ এবং ২০১৬ সালে যথাক্রমে ৭,১৩৬ এবং ৪২,৫৯৮ ভোটে সিপিআই(এম) মনোনীত দিলীপ রায় এবং দীনবন্ধু মণ্ডলকে পরাজিত করেছিলেন। ২০২১ সালের ভোটে এই আসনে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসে বিজেপি। প্রতিদ্বন্দ্বী জয়ন্ত মণ্ডলকে ৫৫,৮৩০ ভোটে পরাজিত করেন ওই তৃণমূল মহিলা প্রার্থী। লোকসভা নির্ব...
পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার ব্লক-স্তরের শহর মিনাখাঁ। আসনটি তফশিলি জাতিদের জন্য সংরক্ষিত। মিনাখাঁ ব্লক, হাড়োয়া ব্লকের কুলটি, শালিপুর নিয়ে গঠিত এই বিধানসভা কেন্দ্র। বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রের সাতটি বিধানসভার মধ্যে মিনাখাঁও একটি। ২০১১ সালে এই বিধানসভা কেন্দ্রটি গঠিত হয়। তারপর থেকে হওয়া তিনবারের ভোটেই জিতেছেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী ঊষারানি মণ্ডল। প্রতিটি ভোটেই তিনি ভোটের ব্যবধান বাড়িয়েছেন। ২০১১ এবং ২০১৬ সালে যথাক্রমে ৭,১৩৬ এবং ৪২,৫৯৮ ভোটে সিপিআই(এম) মনোনীত দিলীপ রায় এবং দীনবন্ধু মণ্ডলকে পরাজিত করেছিলেন। ২০২১ সালের ভোটে এই আসনে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসে বিজেপি। প্রতিদ্বন্দ্বী জয়ন্ত মণ্ডলকে ৫৫,৮৩০ ভোটে পরাজিত করেন ওই তৃণমূল মহিলা প্রার্থী। লোকসভা নির্বাচনেও মিনাখাঁ বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের আধিপত্য ছিল। তবে এক সময় এখানে বামেরা দ্বিতীয় স্থানে থাকলেও বিজেপি সেই জায়গা দখল করে নিয়েছে। ২০০৯ এবং ২০১৪ সালে তৃণমূল কংগ্রেস যথাক্রমে ৮,৪৯০ ভোট এবং ৩৫,৭৩৫ ভোটে সিপিআই(এম)-কে এগিয়ে রেখেছিল। এই দুই নির্বাচনে বিজেপি ভোট পেয়েছিল মাত্র ৬.৩৯ এবং ১২.৩১ শতাংশ। তৃণমূল ২০১৯ সালে ৬৬,৫৬৬ ভোটে এবং ২০২৪ সালে ৭১,১৬৮ ভোটে এগিয়ে ছিল। ২০২৪ সালে মিনাখাঁর ভোটার সংখ্যা ছিল ২৪৬,৫১৩। ২০২১ সালে ২৩৬,৫২৮, ২০১৯ সালে ২২৫,৭৯৬, ২০১৬ সালে ২০৯,০২৮ এবং ২০১১ সালে ১৬৪,৫৬২ জন ছিলেন। যদিও এই আসনটি তপসিলি সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত। যাদের ভোটার সংখ্যা ২৯.০৯ শতাংশ। মুসলিম ভোটার সংখ্যা মোট ভোটারের ৫২.৪০ শতাংশ। মিনাখাঁর গ্রামীণ ভোটার প্রায় ৯৮ শতাংশ। বিধামসভায় ভোট শতাংশ বালো হলেও লোকসভায় ভোটদানের হার কমেছে ক্রমাগত। লোকসভা নির্বাচনে ২০১৯ সালে ৮৭.১৮ শতাংশ এবং ২০২৪ সালে ৮৬.৭৫ শতাংশ ভোটদান রেকর্ড করা হয়েছে। এদিকে ২০১১ সালে ৯১.৮০ শতাংশ, ২০১৬ সালে ৮৮.৫৫ শতাংশ এবং ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ৮৯.৮৫ শতাংশ ভোট পড়েছিল। মিনাখাঁ নামটি বাংলা শব্দ 'মীন' অর্থাৎ মাছ এবং 'খান' অর্থাৎ প্রাচুর্য থেকে এসেছে। যার অর্থ 'মাছের খনি'। অর্থাৎ নাম থেকেই পরিষ্কার অঞ্চলটিতে প্রচুর মাছ পাওয়া যায়। উত্তর চব্বিশ পরগনার দক্ষিণ অংশে মিনাখাঁর প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে বসিরহাট এবং ৩৫ কিলোমিটার দূরে জেলা সদর দপ্তর বারাসাত অবস্থিত। রাজ্যের রাজধানী কলকাতা প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরে। অন্যান্য নিকটবর্তী শহরগুলির মধ্যে রয়েছে ১২ কিলোমিটারে হাড়োয়া, ২৫ কিলোমিটারে হাসনাবাদ, ৩০ কিলোমিটারে টাকি এবং প্রায় ৬০ কিলোমিটারের মধ্যে বনগাঁ অবস্থিত। মিনাখাঁর অর্থনীতি মূলত কৃষি ও মৎস্য নির্ভর। অঞ্চলটি বসিরহাট এবং বারাসাত সড়কপথে যুক্ত। আবার বাসন্তী হাইওয়ে এবং অন্য আঞ্চলিক সড়কপথের মাধ্যমে কলকাতার সঙ্গেও সংযুক্ত। শিয়ালদা-হাসনাবাদ লাইনে বসিরহাট এবং হাসনাবাদের মতো কাছাকাছি স্টেশনগুলি থেকে রেল যোগাযোগ পাওয়া যায়। যার মাধ্যমে দক্ষিণ কলকাতার সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারে মিনাখাঁ। বিধানসভা কেন্দ্রটি তৈরি হওয়ার পর থেকে এখানে তৃণমূল কংগ্রেসের আধিপত্য। বরাবরই এখানকার প্রার্থী বিপুল ভোটের ব্যবধানে জিতেছেন। সেদিক থেকে বিচার করলে এটি ঘাসফুল শিবিরের নিরাপদ আসন। গত ভোটে দ্বিতীয় স্থানে শেষ করেছিল বিজেপি। তাই এই দুই দলের মধ্যেই লড়াই হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
Jayanta mondal
BJP
Pradyut roy
CPI(M)
Nota
NOTA
Dinabandhu mondal
CPM
Jayanta mondal
BJP
Krishna kinkar das
BSP
Nota
NOTA