
বিষ্ণুপুর। বাঁকুড়ার সাধারণ শ্রেণির আসন। বিষ্ণুপুর লোকসভার সাতটি বিধানসভা আসনের মধ্যে একটি। সেই ১৯৫১ সাল থেকে রাজ্যের নির্বাচনী মানচিত্রের অংশ। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার সমনামী অন্য একটি কেন্দ্রের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলবেন না। ১৯৭৭ এবং ২০০৮ সালে সীমানা পুনর্বিন্যাস হয়। শুরুতে এখানে কংগ্রেসের আধিপত্য ছিল। পরে বামেরা মাটি শক্ত করে। ১৯৫২ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত আধিপত্য ছিল কংগ্রেসের। পাঁচবার জিতেছিল তারা। এই সময়ে বাংলা কংগ্রেস এবং সিপিআই একবার করে জিতেছিল। ১৯৭৭ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সিপিএম টানা সাতবার এই আসন জেতে। বামেদের মজবুত জনভিত্তি ছিল। ২০০৮ সালের পর থেকে এই আসনে তৃণমূল কংগ্রেস, কংগ্রেস এবং বিজেপি প্রত্যেকে একবার করে জেতে।
২০১১ সালে সিপিএমের স্বপন ঘোষকে ৯,৮৫৭ ভোটে পর...
বিষ্ণুপুর। বাঁকুড়ার সাধারণ শ্রেণির আসন। বিষ্ণুপুর লোকসভার সাতটি বিধানসভা আসনের মধ্যে একটি। সেই ১৯৫১ সাল থেকে রাজ্যের নির্বাচনী মানচিত্রের অংশ। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার সমনামী অন্য একটি কেন্দ্রের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলবেন না। ১৯৭৭ এবং ২০০৮ সালে সীমানা পুনর্বিন্যাস হয়। শুরুতে এখানে কংগ্রেসের আধিপত্য ছিল। পরে বামেরা মাটি শক্ত করে। ১৯৫২ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত আধিপত্য ছিল কংগ্রেসের। পাঁচবার জিতেছিল তারা। এই সময়ে বাংলা কংগ্রেস এবং সিপিআই একবার করে জিতেছিল। ১৯৭৭ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সিপিএম টানা সাতবার এই আসন জেতে। বামেদের মজবুত জনভিত্তি ছিল। ২০০৮ সালের পর থেকে এই আসনে তৃণমূল কংগ্রেস, কংগ্রেস এবং বিজেপি প্রত্যেকে একবার করে জেতে।
২০১১ সালে সিপিএমের স্বপন ঘোষকে ৯,৮৫৭ ভোটে পরাজিত করেন তৃণমূলের শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। ২০১৬ সালে কংগ্রেসের তুষারকান্তি ভট্টাচার্য মাত্র ৮৯১ ভোটে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে হারান। পরে তৃণমূলে যোগ দেন। ২০২১ সালে তৃণমূলের অর্চিতা বিডকে ১১,৪২০ ভোটে হারান বিজেপির তন্ময় ঘোষ। কিন্তু জয়ের কয়েক মাসের মধ্যেই তিনিও তৃণমূলে যোগ দেন। তন্ময় ঘোষের এই দলবদল ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের বিশেষ কাজে লাগেনি। ওই নির্বাচনে বিষ্ণুপুর বিধানসভায় বিজেপি ১৫,০৪২ ভোটে এগিয়ে ছিল। ২০১৯ সালের ২২,৮১৮ ভোটে এগিয়ে ছিল তারা।
বিষ্ণুপুরে ২০২১ সালে ভোটারের সংখ্যা ছিল ২,১৯,৮২৪। ২০২৪ সালে বেড়ে ২,২৯,৩০৪ হয়েছে। ২০২১ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এখানকার ভোটারদের মধ্যে তফশিলি জাতি ২৮.৪৯%। তফশিলি উপজাতি ৭.২৪% এবং মুসলিম ১২%। এখানকার জনসংখ্যার বিন্যাস মিশ্র প্রকৃতির। ৭৪.৯৫ শতাংশ গ্রামীণ এবং ২৫.০৫ শতাংশ শহুরে ভোটার। ভোটদানের হার এখানে বরাবরই বেশি থাকে। ২০১১ সালে সর্বোচ্চ ৮৯.৯৮ শতাংশ। ২০২৪ সালে তা কমে দাঁড়ায় ৮৪.৫৯ শতাংশ। ২০১৬ সালে ৮৮.৭৯%। ২০১৯ সালে ৮৬.৮০%। এবং ২০২১ সালে ৮৭.৬৯% ভোটের হার।
বিষ্ণুপুরের ভূমি মালভূমির শেষের অংশ। ছোটনাগপুর মালভূমি থেকে ক্রমশ ঢালু হয়ে নীচে নেমে এসেছে। এখানকার মাটি কাঁকুড়ে। ছোট ছোট পাহাড় এবং বনভূমি রয়েছে। দামোদর, শালি, গন্ধেশ্বরী ও কংসাবতীর মতো নদীগুলো কৃষিকাজে এবং সেচ ব্যবস্থায় সহায়ক। অর্থনীতি মূলত কৃষিভিত্তিক। ধান, শাকসবজি এবং তৈলবীজ এখানকার প্রধান ফসল। বুনন শিল্প, টেরাকোটা বা পোড়ামাটির কাজ এবং বালুচরি শাড়ি বিখ্যাত। স্থানীয় অর্থনীতিতেও তার অবদান রয়েছে। সড়ক ও রেলপথের মাধ্যমে বিষ্ণুপুর জেলা সদর বাঁকুড়ার সঙ্গে দূরত্ব ৩৫ কিমি। উত্তরে দুর্গাপুর ৬০ কিমি এবং আসানসোল প্রায় ৮৫ কিমি দূরে। রাজধানী কলকাতা এখান থেকে দক্ষিণ-পূর্বে প্রায় ২০০ কিমি দূরে। এই কেন্দ্রের পশ্চিমে পুরুলিয়া জেলা। উত্তরে পশ্চিম বর্ধমান। ঝাড়খণ্ডের রাজধানী রাঁচি বিষ্ণুপুর থেকে প্রায় ১৭০ কিমি দূরে।
ঐতিহাসিকভাবে বিষ্ণুপুর ছিল মল্লভূমের মল্ল রাজাদের রাজধানী। যাঁরা এই অঞ্চলে প্রায় হাজার বছর রাজত্ব করেছিলেন। ১৭ ও ১৮ শতকে নির্মিত এখানকার পোড়ামাটির মন্দিরগুলির জন্য শহরটি বিশ্ববিখ্যাত। যা সংরক্ষিত হেরিটেজ সাইট। মল্ল শাসকরা বৈষ্ণবধর্ম, শাস্ত্রীয় সংগীত এবং চিত্রকলার পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। এর ফলে বিষ্ণুপুর ঘরানা এবং একটি স্বতন্ত্র শিল্পরীতির উদ্ভব হয়েছিল।
Agniswar naskar
BJP
Jhuma kayal
CPI(M)
Rabindranath ranjan
BSP
Nota
NOTA
Uttam naskar
IND
Aloke sardar
CPM
Shyamaprasad halder
BJP
Nota
NOTA
Dipankar gayen
BSP
Samar kr. biswas
IND
Uttam kumar halder
PDS