
হাওড়া উত্তর। হাওড়ার পুরসভার ১৪টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত।১৯৫১ সালে হাওড়া উত্তর আসনের যাত্রা শুরু। একটা সময় এই আসনে কংগ্রেস এবং বামেদের লড়াই হত। সীমানা পুনর্বিন্যাসের আগে দুই দলই সাতবার করে জয়লাভ করেছিল। ২০১১ সালে পুনর্বিন্যাসের পর বদলে যায় রাজনৈতিক সমীকরণ। সেই থেকে টানা ৩টি ভোটেই জিতেছে তৃণমূল কংগ্রেস। মজার বিষয় হল, প্রতিটি ভোটেই তৃণমূলের নিকটতম প্রতিপক্ষ বদলেছে। সিপিএম, কংগ্রেস হয়ে বিজেপি।
২০১১ সালে হাওড়া উত্তর আসনে বামেদের জয়ের ধারা শেষ করে তৃণমূল। ওই ভোটে সিপিএমের নিমাই সামন্তকে ১৯,৬০৮ ভোটে হারান তৃণমূল কংগ্রেসের অশোক ঘোষ। ২০১৬ সালে প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার লক্ষ্মীরতন শুক্লাকে প্রার্থী করে তৃণমূল। তিনি হারান কংগ্রেস প্রার্থী সন্তোষকুমার পাঠককে। ভোটের ব্য...
হাওড়া উত্তর। হাওড়ার পুরসভার ১৪টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত।১৯৫১ সালে হাওড়া উত্তর আসনের যাত্রা শুরু। একটা সময় এই আসনে কংগ্রেস এবং বামেদের লড়াই হত। সীমানা পুনর্বিন্যাসের আগে দুই দলই সাতবার করে জয়লাভ করেছিল। ২০১১ সালে পুনর্বিন্যাসের পর বদলে যায় রাজনৈতিক সমীকরণ। সেই থেকে টানা ৩টি ভোটেই জিতেছে তৃণমূল কংগ্রেস। মজার বিষয় হল, প্রতিটি ভোটেই তৃণমূলের নিকটতম প্রতিপক্ষ বদলেছে। সিপিএম, কংগ্রেস হয়ে বিজেপি।
২০১১ সালে হাওড়া উত্তর আসনে বামেদের জয়ের ধারা শেষ করে তৃণমূল। ওই ভোটে সিপিএমের নিমাই সামন্তকে ১৯,৬০৮ ভোটে হারান তৃণমূল কংগ্রেসের অশোক ঘোষ। ২০১৬ সালে প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার লক্ষ্মীরতন শুক্লাকে প্রার্থী করে তৃণমূল। তিনি হারান কংগ্রেস প্রার্থী সন্তোষকুমার পাঠককে। ভোটের ব্যবধান ২৬,৯৫৯। ২০২১ সালে তৃণমূল কংগ্রেস গৌতম চৌধুরীকে প্রার্থী করে। এবার বিজেপির উমেশ রাইয়ের বিরুদ্ধে জয় ঘাসফুল শিবিরের। তবে ব্যবধান কমে দাঁড়ায় ৫,৫২২ ভোট।
হাওড়া উত্তর আসনে বিজেপির ভোটবৃদ্ধির হার চমকে দেওয়ার মতো। একটা সময়ে বামেদের গড় হাওড়া উত্তরে ২০২১ সালে গেরুয়া শিবির পেয়েছিল ৪৪.১২ শতাংশ ভোট। তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছিল ৪৭.৮১ শতাংশ। কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করা সত্ত্বেও একদা প্রভাবশালী সিপিএম মাত্র ৫.৪৩ শতাংশ ভোট পেয়েছে তৃতীয় স্থানে চলে যায়।
লোকসভা নির্বাচনগুলোতেও একই ধরনের প্রবণতা। ২০১৯ সালে বিজেপি হাওড়া উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রে ২,৯৬১ ভোটে এগিয়ে ছিল। ২০২৪ সালে তৃণমূল কংগ্রেস লিড পায়। তবে তা ছিল মাত্র ১০,০৩১ ভোটের। সিপিএম-কংগ্রেস জোট মাত্র ৮,৯৩৬ ভোট।
২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে হাওড়া উত্তরে ২,১৮,৫৪৭ জন ভোটার ছিল। মোট ভোটারের ১১.৮০ শতাংশ মুসলিম এবং ২.২৮ শতাংশ তফশিলি। এটি শহুরে আসন। ভোটের হার তুলনামূলকভাবে কম ছিল। ২০১৬ সালে ভোটের হার ছিল ৬৭.৯৮%। ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে কিছুটা বেড়ে হয় ৭০.১৪%। ২০২১ সালে কমে দাঁড়ায় ৬০.৪১%।
হুগলি নদীর ঠিক ওপারেই কলকাতা। সালকিয়া, ঘুসুড়ি, পিলখানা এবং বেলুড়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলি অন্তর্ভুক্ত। ভারতের অন্যতম ব্যস্ত এবং প্রাচীনতম রেলওয়ে স্টেশন 'হাওড়া' এই কেন্দ্রের সীমানায়। হাওড়া ব্রিজের মাধ্যমে মধ্য কলকাতার সঙ্গে যুক্ত। বাস, অটো-রিকশা এবং হুগলি নদীতে ফেরি যাতায়াতের মাধ্যম। কলকাতার নিকটে থাকায় হাওড়া উত্তর একটি গুরুত্বপূর্ণ শহুরে কেন্দ্র।
গত বিধানসভা নির্বাচনে কমেছে তৃণমূলের জয়ের ব্যবধান। মুসলিম ভোট এই কেন্দ্রে তুলনামূলক কম। তার উপরে হিন্দিভাষী ভোটার বেশি। তাঁরা বেশিরভাগই বিজেপির ভোটার। ফলে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হতে পারে হাওড়া উত্তরে।
Umesh rai
BJP
Pawan kumar singh
CPI(M)
Nota
NOTA
Subhash kumar singhi
IND
Sunil sau
IND
Ashok kumar sharma
HAMS
Shyam prasad ram
IND
Vijay shah
IND
Sisir samanta
IND
Dharmendra rai
IND
Ganeshlal gupta
NRPI
Vinit kumar rai
IND
Raj kumar paswan
BMF
Santosh kumar pathak
INC
Roopa ganguly
BJP
Subodh pathak
IND
Nota
NOTA
Shewnarayan chandel
BSP
Bina ganguli mukherjee
IND
Praveen kumar saraf
MHB
Ravi shankar yadav
IND
Dadan singh
IND
Sudarshan manna
STPI
Arvind kumar dubey
IND
Tapan bose
IND
Anu das
IND
Jayant gupta
IND
Ashish agarwal
IND