
রানাঘাট দক্ষিণ কেন্দ্রটি শিডিউল কাস্টের জন্য সংরক্ষিত । এটি পশ্চিমবঙ্গের নদিয়া জেলায় অবস্থিত। এই কেন্দ্রটি রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের অংশ। এই কেন্দ্রটি ২০০৮ সালে ডেলিমিটেশন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী গঠিত হয়। ১৯৫১ থেকে ১৯৬২ পর্যন্ত কেবল একটি রানাঘাট কেন্দ্র ছিল। ১৯৬২ সালে এটি দুটি কেন্দ্রে বিভক্ত হয়। সেগুলি হল রানাঘাট পূর্ব এবং রানাঘাট পশ্চিম। এই দুই কেন্দ্র ২০০৮ পর্যন্ত ছিল। এরপর এগুলোকে পুনর্গঠন করে তিনটি নতুন কেন্দ্র করা হয়। সেগুলি হল রানাঘাট উত্তর পশ্চিম, রানাঘাট উত্তর পূর্ব এবং রানাঘাট দক্ষিণ। রানাঘাট দক্ষিণে রয়েছে রানাঘাট ১ ব্লকের ৬টি গ্রাম পঞ্চায়েত, রানাঘাট ২ ব্লকের ৮টি গ্রাম পঞ্চায়েত এবং কুপার্স ক্যাম্প নোটিফায়েড এলাকা। এই কেন্দ্র চারবার...
রানাঘাট দক্ষিণ কেন্দ্রটি শিডিউল কাস্টের জন্য সংরক্ষিত । এটি পশ্চিমবঙ্গের নদিয়া জেলায় অবস্থিত। এই কেন্দ্রটি রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের অংশ। এই কেন্দ্রটি ২০০৮ সালে ডেলিমিটেশন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী গঠিত হয়। ১৯৫১ থেকে ১৯৬২ পর্যন্ত কেবল একটি রানাঘাট কেন্দ্র ছিল। ১৯৬২ সালে এটি দুটি কেন্দ্রে বিভক্ত হয়। সেগুলি হল রানাঘাট পূর্ব এবং রানাঘাট পশ্চিম। এই দুই কেন্দ্র ২০০৮ পর্যন্ত ছিল। এরপর এগুলোকে পুনর্গঠন করে তিনটি নতুন কেন্দ্র করা হয়। সেগুলি হল রানাঘাট উত্তর পশ্চিম, রানাঘাট উত্তর পূর্ব এবং রানাঘাট দক্ষিণ। রানাঘাট দক্ষিণে রয়েছে রানাঘাট ১ ব্লকের ৬টি গ্রাম পঞ্চায়েত, রানাঘাট ২ ব্লকের ৮টি গ্রাম পঞ্চায়েত এবং কুপার্স ক্যাম্প নোটিফায়েড এলাকা। এই কেন্দ্র চারবার ভোট হয়েছে। ২০২৪-এ একটি উপনির্বাচনও হয়েছে। মাথায় রাখতে হবে, তৃণমূল কংগ্রেসের আবিররঞ্জন বিশ্বাস প্রথমবার এই কেন্দ্র জিতেছিল ২০১১ সালে। তিনি সিপিআই(এম)-এর অলোকে কুমার দাসকে ১৯,৬০৮ ভোটের ব্যবধানে হারান। ২০১৬ সালে সিপিআই(এম) এই আসনে জয়লাভ করে। রমা বিশ্বাস তৎকালীন বিধায়ক আবির রঞ্জন বিশ্বাসকে ১৭,২৫৩ ভোটে হারান। যদিও তারপর খেলা বদলে যায়। ২০২১ সালে বিজেপি নিজের উপস্থিতি জানায় এই কেন্দ্রে। মুকুটমণি আধিকারী তৃণমূলের বর্ণালি দে রায়কে ১৬,৫১৫ ভোটে পরাজিত করেন। পরে অবশ্য মুকুটমণি আধিকারী তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন। যার ফলে ২০২৪ সালে এখন উপনির্বাচন হয়। এই ভোটে তিনি বিজেপির মনোজ কুমার বিশ্বাসকে ৩৯,০৪৮ ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে দেন। যদিও মাথায় রাখতে হবে উপনির্বাচনের ফলাফল সাধারণ এলাকার রাজনৈতিক পরিস্থিতি না তুলে ধরতেও পারে। কারণ, সেই বছরের লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলে ভিন্ন চিত্র দেখা যায়। রানাঘাট দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপি ৩৬,৯৩৬ ভোটে এগিয়ে ছিল। তবে এটি ২০১৯ সালের ৪৪,৯৩১ ভোটের লিডের থেকে কম। কিন্তু তারপরও এটা বোঝা যায় এখানে বিজেপির ভাল শক্তি রয়েছে। রানাঘাট দক্ষিণে ২০২১ বিধানসভা ভোটে মোট ভোটার ছিল ২,৮৫,১৮০। আবার ২০১৬ সালে ২,৫৭,৮১১ এবং ২০১৯ লোকসভা ভোটে ২,৭৩,৭৯৬ ভোটার ছিল। জনসংখ্যার বিচারে দেখলে এসসি ভোটার ৩৮.৫৬ শতাংশ, এসটি ভোটার ৪.১৪ শতাংশ এবং মুসলিম ভোটার ১৪.২০ শতাংশ রয়েছে। এক্ষেত্রে ২০১৬-তে ৮৫.০৬ শতাংশ এবং ২০১৯-এ ৮৩ শতাংশ মানুষ ভোট দিয়েছেন। ২০১১ সালের জনগণনা অনুযায়ী, এখানে গ্রামীণ ভোটার ৬৩.৮৮ শতাংশ এবং শহুরে ভোটার ৩৬.১৩ শতাংশ। ভৌগোলিক দিক থেকে এই কেন্দ্রটি হল সমতলভূমি। এখানকার জমি উর্বর। চূর্ণী নদী যা মাথাভাঙ্গার একটি শাখা, সেটিই কৃষি ও দৈনন্দিন জীবনে বিরাট বড় ভূমিকা রাখে। এখানকার মূল জীবিকা হল কৃষি। প্রধান ফসল ধান। এছাড়া এখানে পাট, সর্ষে ও সবজিও চাষ হয়। পাশাপাশি মাছ ও দুগ্ধজাত খাবারও আয়ের উৎস। তবে শিল্পায়ন এখানে কম। তাই এখানকার অনেক যুবক কলকাতা, বেঙ্গালুরু, মুম্বই বা বিদেশে কাজের জন্য চলে যায়। রানাঘাট কেন্দ্র থেকে এটি প্রায় ৫ কিমি দূরে। কূপার্স ক্যাম্প প্রায় ৩ কিমি দূরে। জেলা সদর কৃষ্ণনগর ৪০ কিমি দূরে এবং কলকাতা প্রায় ৭১ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত। এছাড়া অন্যান্য নিকটবর্তী শহর হল চাকদহ (২৫ কিমি), কালিয়ানি (৩০ কিমি) এবং বাঙাবন (৪৫ কিমি)। রানাঘাট দক্ষিণ বারবারই সরকারের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে। ২০১১ সালে এখানে বাম জমানার শেষে তৃণমূল জিতেছে। আবার ২০১৬ সালে সিপিআই(এম) জিতেছে। তখন তৃণমূল শাসক ছিল। আবার তৃণমূল শাসক থাকার সময় ২০২১ সালে বিজেপি জিতেছে। ২০২৪-এর উপনির্বাচন ছাড়া এই ধারা চলেছেই। তাই এটা বলা যায় যে, ২০২৬ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য কঠিন লড়াই হতে পারে। বিজেপির বাড়তি প্রভাব এবং বাম-কংগ্রেস জোট সবুজ বাহিনীকে সমস্যায় ফেলতে পারে।
Barnali dey roy
AITC
Rama biswas
CPI(M)
Prasanta biswas
BSP
Nota
NOTA
Nanigopal mistri
SUCI
Abir ranjan biswas
AITC
Susmit ranjan haldar
BJP
Nota
NOTA
Prasanta biswas
BSP
Tushar biswas
IND
Manmatha biswas
NDPOI
Bibhuti mondal
IND
Tapan halder
IND