
উলুবেড়িয়া দক্ষিণ। উলুবেড়িয়া লোকসভা কেন্দ্রের সাতটি বিধানসভা আসনের মধ্যে একটি। ২০১১ সালের পর থেকে তৃণমূল কংগ্রেস এখানে নিরঙ্কুশ আধিপত্য কায়েম করেছে। রাজ্য সরকারের মন্ত্রী পুলক রায় এখান থেকে টানা তিনবার জয়ী হয়েছেন। তার আগে উলুবেড়িয়া দক্ষিণ ছিল ফরওয়ার্ড ব্লকের গড়। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের পর থেকে বিজেপি ধীরে ধীরে বামেদের সরিয়ে প্রধান বিরোধী হিসেবে উঠে এসেছে।
১৯৫১ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে এই নির্বাচনী কেন্দ্রটি বেশ কয়েকবার পুনর্গঠিত হয়েছে। শুরুতে এটি উলুবেড়িয়া নামে পরিচিত ছিল। যা ১৯৬২ সালে উলুবেড়িয়া দক্ষিণ ও উলুবেড়িয়া উত্তর- দুই ভাগে বিভক্ত হয়। ২০১১ সালের সীমানা পুনর্নির্ধারণের পর সংশোধিত সীমানা নিয়ে নতুন উলুবেড়িয়া গঠিত হয়েছে। ১৯৬২ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে অধিক...
উলুবেড়িয়া দক্ষিণ। উলুবেড়িয়া লোকসভা কেন্দ্রের সাতটি বিধানসভা আসনের মধ্যে একটি। ২০১১ সালের পর থেকে তৃণমূল কংগ্রেস এখানে নিরঙ্কুশ আধিপত্য কায়েম করেছে। রাজ্য সরকারের মন্ত্রী পুলক রায় এখান থেকে টানা তিনবার জয়ী হয়েছেন। তার আগে উলুবেড়িয়া দক্ষিণ ছিল ফরওয়ার্ড ব্লকের গড়। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের পর থেকে বিজেপি ধীরে ধীরে বামেদের সরিয়ে প্রধান বিরোধী হিসেবে উঠে এসেছে।
১৯৫১ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে এই নির্বাচনী কেন্দ্রটি বেশ কয়েকবার পুনর্গঠিত হয়েছে। শুরুতে এটি উলুবেড়িয়া নামে পরিচিত ছিল। যা ১৯৬২ সালে উলুবেড়িয়া দক্ষিণ ও উলুবেড়িয়া উত্তর- দুই ভাগে বিভক্ত হয়। ২০১১ সালের সীমানা পুনর্নির্ধারণের পর সংশোধিত সীমানা নিয়ে নতুন উলুবেড়িয়া গঠিত হয়েছে। ১৯৬২ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে অধিকাংশ বিধানসভা নির্বাচনে ফরওয়ার্ড ব্লক এখানে প্রধান শক্তি ছিল। উলুবেড়িয়া দক্ষিণে ১২ বারের মধ্যে ৮ বারই জয়ী হয়েছে তারা। এই আসনে কংগ্রেস, একজন নির্দল প্রার্থী এবং সিপিএম জয়লাভ করেছে।
২০১১ সালে ফরওয়ার্ড ব্লকের কুতুবুদ্দিন আহমেদকে ১১,৮৩২ ভোটে পরাজিত করেন তৃণমূলের পুলক রায়। এরপর ২০১৬ সালে ফরওয়ার্ড ব্লকের মহম্মদ নাসিরুদ্দিনের বিরুদ্ধে জয়ের ব্যবধান বাড়িয়ে করেন ৩৫,৩৪৪। ২০২১ সালে বিজেপির পাপিয়া দে-কে ২৮,৪৩৮ ভোটে হারান পুলক রায়। এক সময়কার দাপুটে ফরওয়ার্ড ব্লক তৃতীয় স্থানে চলে যায়। লোকসভা নির্বাচনেও তৃণমূল কংগ্রেস একই আধিপত্য ধরে রেখেছে। উলুবেড়িয়া দক্ষিণ বিধানসভায় তাদের লিড বা ব্যবধান ক্রমশ বাড়ছে। ২০২৪ সালে ৩৩,১৩৩ ভোটে এগিয়ে ছিল। ২০১৯ সালে ছিল ব্যবধান ছিল ২৪,৯৪৭।
উলুবেড়িয়া দক্ষিণে ২০২৪ সালে ভোটারের সংখ্যা ছিল ২,৪৮,৫১৪। ২০২১ সালে ছিল ২,৩৭,৬২০। ২০১৯ সালে ছিল ২,২৬,৪৩০। ২০২১ সালের তথ্য অনুযায়ী, এখানকার ভোটারদের মধ্যে মুসলিম ৩৫.৬%। তফসিলি জাতি ২৩.৫১%। এই আসনটি মূলত গ্রামীণ। শহুরে ভোটার মাত্র ১০.২০ শতাংশের কাছাকাছি। এখানে ভোটের হার বেশি। ৮০ শতাংশও ছাড়িয়ে যায়। ২০২১ সালে ভোটের হার ছিল ৮৫.১৬%। ২০১৬ সালে ৮৫.৩৮%। ২০১১ সালে ৮৫.৩৬%। তবে লোকসভা নির্বাচনে এই হার প্রায় ৫ শতাংশ কমে। ২০২৪ সালে ৮০.৫৪%। ২০১৯ সালে ৮১.৮৩% ছিল ভোটের হার।
উলুবেড়িয়া দক্ষিণ হুগলি নদীর উর্বর নিম্ন অববাহিকায় অবস্থিত। এখানকার ভূমি সমতল এবং পলিমাটি সমৃদ্ধ। হুগলি নদী ও তার শাখা নদীগুলি জনবসতি ও কৃষিকাজে প্রধান ভূমিকা পালন করে। বর্ষাকালে এখানে প্রায়ই বন্যা হয়। মাটিকে উর্বর করলেও নিচু এলাকার ফসল ও ঘরবাড়ির জলে ডুবে যায়। এখানকার প্রধান কৃষিজাত ফসল হল ধান, পাট, শাকসবজি ও ডাল। উলুবেড়িয়া-১ ব্লক এবং তার আশেপাশের পুকুর ও জলাশয়গুলিতে মাছ চাষ গ্রামীণ অর্থনীতির বড় চালিকাশক্তি। শহরঘেঁষা এলাকাগুলিতে কারখানাও রয়েছে।
কলকাতার শিল্পাঞ্চলে কাজ করেন বহু মানুষ। এখান থেকে কলকাতা কাছেই। কারিগরী কাজ, জরি শিল্প, শাটলকক তৈরি এবং রাবার শিল্পের কাজ স্থানীয় আয়ের উৎস। উলুবেড়িয়া দক্ষিণের পরিকাঠামোও ভাল। হাওড়া ২৭ কিমি দূরে। ৩৩ কিমি দূরে কলকাতা। উলুবেড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনটি দক্ষিণ-পূর্ব রেলের ব্যস্ত কলকাতা-খড়গপুর লাইনের সঙ্গে অঞ্চলটিকে যুক্ত করেছে। নিকটবর্তী শহরগুলির মধ্যে রয়েছে পাঁচলা ৯ কিমি দূরে।
উলুবেড়িয়া দক্ষিণ কার্যত তৃণমূল কংগ্রেসের গড়। বিজেপির লড়াই দিলেও মুসলিম ভোট এখানে তাদের মাথাব্যথার কারণ। তবে বাম, কংগ্রেস বা হুমায়ুনের দল প্রার্থী দিলে এখানে চাপ হবে শাসক দলের। মুসলিম ভোট ভাগ হলে সুবিধা বিজেপির। ফলে সব হিসেব-নিকেশ ওলটপালট হওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে।
Papia dey (adhikary)
BJP
Sk kutub uddin ahmed
AIFB
Nota
NOTA
Amal kumar barman
IND
Jayanta khatua
SUCI
Ram prosad ghorai
IUC
Sujit mondal
IND
Md.nasiruddin
AIFB
Somnath sadhukhan
BJP
Monirul islam(mim)
IND
Nota
NOTA
Gobardhan manna
IUC